শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ. বলেন-
তাওহিদের চারটি স্তর রয়েছে-
এক.কোনো সত্ত্বার অস্তিত্ব আবশ্যকীয়ভাবে থাকা এটা শুধু আল্লাহ তা’য়ালার জন্যই সীমাবদ্ধ রাখা। সুতরাং তিনি ছাড়া আর কোনো সত্তার অস্তিত্ব থাকা জরুরী নয় (এর দ্বারা তাওহিদ ফি-জ্জাত তথা আল্লাহ তা’য়ালার সত্তা একক এর দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।)
দুই. আসমান-যমিন আরশ কুরসীসহ সকল মাখলুকের সৃষ্টি তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তিনি ছাড়া আর কেউ কোনো কিছু সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করেনি। (এর দ্বারা তিনি যে একমাত্র রব এ কথার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে) আর এই দুটি বিষয় নিয়ে আসমানী কিাতাবগুলোতে বিস্তারিত কোনো আলোচনা করা হয়নি এবং আরবের মুশরিকরা এমনকি ইহুদি, নাসারারাও একে অস্বীকার কিংবা এর বিরোধিতা করেনি। বরং কোরআনে কারীমের বর্ণনা মতে এ বিষয়গুলো ছিলো সর্বজনস্বীকৃত বিষয়সমূহের তালিকার প্রথম পর্যায়ে।
তিন. আসমান যমীন এবং এ দুইয়ের মাঝে যা কিছু আছে এই সব কিছুর পরিচালনা আল্লাহর হাতেই (আল্লাহ তা’য়ালা নাম ও গুণাবলীর দিক থেকেও একক, এ কথা বুঝানো হয়েছে।)
চার. তিনি ব্যতিত আর কেউ ইবাদতের মালিক নয় (মাবুদ হিসাবে তিনি একক এই দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।)
শিরক এর বিষয়ে এর চেয়ে ভালো বই বাজারে আছে কিনা আমার জানা নেই । বই না পড়ে কেউ মন্তব্য করতে পারবে না, বইটা আগে পড়ে তারপর মন্তব্য করুন ।
#মুমিনদের_প্রতি_অধিক_বিদেশি
মুশরিকরা তাদের এই রুগ্ন আক্তার কারণে ঈমান ও মুমিনদেরকে অপছন্দ করে । এমনকি মুমিনদের প্রতি ঘোর বিরোধিতা পোষণ করে ।
আল্লাহ তা’আলা বলেন-
لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا
অর্থ: আপনি সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী ও মুশরিকদেরকে পাবেন ।[ সূরা মায়েদা আয়াত 82]
তারা যে ঈমান ও মুমিনদের প্রতি বিদ্বেষী । তার আর একটি নিদর্শন হল, তারা যখন তাওহীদের কথা শুনে তখন বিরক্তিবোধ করে । আর যখন তাদের মা’বুদের আলোচনা শুনে তখন তারা প্রতিফুল্লিত হয় ।
আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন –
واذا ذكر الله وحده اشمازت قلوب الذين لا يؤمنون بالاخرة واذا ذكر الذين من دونه اذا هم يستبشرون
অর্থ: যখন খাটিভাবে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য উপাস্যদের নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লসিত হয়ে ওঠে । [ সূরা যুমার আয়াত 45]
(আরো বিস্তারিত জানতে বইটি পড়ুন)
তাওহীদ ও শিরক প্রকার ও প্রকৃতি
মূল শাইখ জুনায়েদ বাবুনগরী হাফিজাহুল্লাহ
There are no reviews yet.